সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১

নায়িকা দীঘির প্রথম সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে এবার

নায়িকা দীঘির প্রথম সিনেমা

 শিশুশিল্পী হিসেবে পর্দা কাঁপিয়েছেন। সারা বাংলায় ছড়িয়েছে তার নাম। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। এবার তিনি আসছেন নায়িকা হয়ে। বলছি সিনেমার মিষ্টি মেয়ে দীঘির কথা।


মুক্তি পেতে যাচ্ছে নায়িকা হিসেবে তার প্রথম সিনেমা। শাপলা মিডিয়ার 'টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই' সিনেমা দিয়েই অভিষিক্ত হচ্ছেন সুব্রত-দোয়েল দম্পতির কন্যা।


নিজের প্রথম সিনেমা মুক্তির খবরে উচ্ছ্বসিত দীঘি। তিনি বলেন, ‘অনেক উত্তেজনা কাজ করছে। টেনশনও হচ্ছে। জানি না দর্শক কীভাবে গ্রহণ করবেন আমাকে। তবে প্রত্যাশা করছি ভালো একটি সিনেমা উপহার দিতে পারবো।’


ছবিটির তত্ত্বাবধানে থাকা চলচ্চিত্র পরিচালক শামীম আহমেদ রনি (১ মার্চ) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, 'টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই' সিনেমাটি ১২ মার্চ সারাদেশের সিনেমা হলে মুক্তি পাবে।

লেবেলসমূহ:

বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ, ২০২১

সমবয়সী বিয়ে করলে কী হয়? ভবিষ্যৎ কি কোনো ধরনের সমস্যা হয়!



বিয়ে হচ্ছে দুজন মানুষের মধ্যে একটি বন্ধন, যা সারাজীবনের জন্য অটুট থাকবে। আর তার জন্য নিজেদের মধ্য বোঝাপড়া থাকাটা বড় বিষয়। 
একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধে অনেকে। দুজন যদি দুজনকে পড়ে নিতে পারেন তাহলে সংসারে সমস্যা আসলেও তা সমাধান করা সহজ হয়ে পরবে। আর সমস্যা তো আসবেই, কারণ সমস্যা ছাড়া মানুষ থাকতে পারে না। তবে, সমবয়সীদের বিয়েতে একটু ঝামেলা থাকেই।




স্বামীর বয়স স্ত্রীর বয়সের দ্বিগুণ হওয়াটা বেশ কিছুদিন আগেও ছিল স্বাভাবিক বিষয়। সময়ের পরিবর্তনে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে বয়সের কম ব্যবধানে বিয়ে (Marriage) করার প্রবণতা বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিয়ে (Marriage) মানে এখন শুধু সন্তানের জন্য নয়।জীবনের সর্বাঙ্গীণ সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগীদার খোঁজা। তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানিং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। ততেই অনেকে নানা সমস্যায় পরে থাকেন।

চলুন এবার দেখে নেয়া যাক সমবয়সী ছেলে-মেয়েদের বিয়ে হলে কি কি সমস্যা হতে পারে :

1. অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষ মহিলার কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত।


2. আবার এমনো হয়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি।

3. ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।

4. তবে এই সংঘাতের মধ্যদিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। নারীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। নানা স্বাভাবিক সঙ্কট তৈরি হয় এ সময়। সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারায়, স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একইসঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা।

5.এসবে তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে, তার দেয়ার আর কিছু নেই। মনে চলে আসে বিষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় নারীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফেলে। একই বয়সে পুরুষটি তখন টাট্টু ঘোড়া। মধ্য-দুপুরে পুরুষটি তখন নিদারুণ অসহায়। দিশেহারা পুরুষের দাম্পত্য জীবনে প্রভাব। অশান্তিতে শুরু হয় ডিভোর্সের সম্ভাবনা। সমবয়সে বিয়ে (Marriage) করা মানে অশান্তিকে দাওয়াত দেয়া।


পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ৮ বছরের মধ্যে থাকা উচিত। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না। ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। তাই কিছু সমবয়সী (Peers) দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সুখী।





লেবেলসমূহ: