বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩

এক বছরে ১৪ টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। কোন কোন দেশের সাথে দেখে নিন


এক বছরে ১৪ টেস্ট খেলতে প্রস্তুত বাংলাদেশ? 
বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট কম খেলে এই হতাশা অনেকদিনের, বাংলাদেশের জন্য আইসিসি টেস্ট ম্যাচ কম বরাদ্দ দেয় এই অভিযোগ নতুন না। কিন্তু ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কয়টি টেস্ট খেলবে জানেন কি? শুনে একটু অবাক হতে পারেন, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং ভারতের পর চতুর্থ সর্বোচ্চ ৩৪ টা টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। 
তারচেয়ে বড় কথা শুধু ২০২৪ সালেই ১৪ টা টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ! এক বছরে সবচেয়ে বেশি কয়টা টেস্ট খেলেছে এর আগে বাংলাদেশ? এই তথ্যটা আমার জানা নেই, আপনাদের জানা থাকলে জানাতে পারেন আমাকে। 
২০২৩ সালে বাংলাদেশের টেস্ট খেলার কথা ছিল মাত্র ৫ টা, কিন্তু আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটা টেস্ট কম হওয়ায় এবছর বাংলাদেশ টেস্ট খেলবে ৪ টা৷ বিশ্বকাপের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২ টেস্টের সিরিজ রয়েছে যেটা দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের নতুন WTC সাইকেল। 
কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের জন্য রয়েছে ১৪ টা টেস্ট ম্যাচ। সেগুলো একটু দেখে নেওয়া যাকঃ
ফেব্রুয়ারি-মার্চঃ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজে থাকবে ২ টেস্ট, যা WTC এর অন্তর্ভুক্ত। 
এপ্রিলঃ এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে থাকবে ২ টেস্ট। 
জুলাই-আগস্টঃ আফগানিস্তানের বিপক্ষে আরব আমিরাতের মাটিতে হতে যাওয়া সিরিজে থাকবে ২ টেস্ট। 
আগস্টঃ পাকিস্তান সফরে থাকবে ২ টেস্ট, যা WTC এর অন্তর্ভুক্ত। 
সেপ্টেম্বর-অক্টোবরঃ ভারত সফরে থাকবে WTC এর অন্তর্ভুক্ত ২ টেস্টের সিরিজ।
অক্টোবরঃ সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে হোম সিরিজে থাকছে ২ টেস্ট যা WTC এর অন্তর্ভুক্ত।
নভেম্বর-ডিসেম্বরঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে থাকছে আরো ২ টেস্ট যা WTC এর অন্তর্ভুক্ত। 
অর্থাৎ, মোট সাতটা সিরিজের ১৪ টা ম্যাচের ভেতর পাঁচটা সিরিজের ১০ টা টেস্টই হবে WTC এর ২০২৩-২০২৫ সাইকেলের অন্তর্ভুক্ত। 
বাংলাদেশের মতো দল যারা খুব বেশি টেস্ট খেলেনা তাদের জন্য এক বছরে ১০ টা WTC এর টেস্টসহ ১৪ টা টেস্ট খেলা কি একটু চাপের হয়ে যাবেনা? 
কারন এগুলো শুধু টেস্ট ম্যাচের হিসাব, যেখানে দুটো বাদে বাকি ৫ সিরিজেই টেস্টের সাথে ওয়ানডে এবং/অথবা টি-টোয়েন্টি সিরিজ তো আছেই!  
আমার ব্যক্তিগত মতামত, এক বছরে ১৪ টেস্ট খেলার মতো ফিটনেস আমাদের অনেক প্লেয়ারের নেই, যার কারনে আমাদের প্লেয়ার রোটেশন পলিসিতে যেতে হবে, গুরুত্বপূর্ণ প্লেয়ারদের WTC এর ম্যাচ গুলোতে খেলানো যেতে পারে আর নতুন প্লেয়ারদের আফগানিস্তান এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাজিয়ে দেখা যেতে পারে৷ 
কিন্তু WTC ম্যাচও তো কম না, ১০ টা!  
অন্য বড় দল গুলো অভ্যস্ত হলেও বাংলাদেশ এতো টেস্ট খেলে অভ্যস্ত না এক বছরে। প্লেয়ারদের ফিট রাখাটাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
পাশাপাশি আমার ধারণা আইসিসি এখানে ফেয়ার ফিক্সচার করতে পারেনি, যেখানে জুন ২০২৩ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত আমাদের ১২ টা ম্যাচ খেলার কথা সেখানে ২০২৪ সালেই ১০ টা দিয়ে রাখছে৷ আর কাউকে এতো চাপাচাপি করে সিরিজ দেয়নি কিন্তু। অন্যদের ফ্রি টাইম অনুযায়ী আমাদের ফিক্সচার সাজিয়েছে তারা৷ বাস্তবতা অবশ্য এটাই যে আমাদের এটা মেনে নিয়েই পারফর্ম করতে হবে৷

লেবেলসমূহ: ,

0টি মন্তব্য:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এতে সদস্যতা মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন [Atom]

<< হোম